কাশ্মীরের সিন্ধু নদ 875

  • Optional content to summarize or preview your posts.
  • A sunt in culpa qui officia deserunt mollit anim id est laborum. Excepteur sint occaecat cupidatat non proident.
  • Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip ex ea commodo.
  • Suspendisse magna urna, faucibus euismod bibendum et, efficitur at ante. Integer consequat, quam in pulvinar ullamcorper, leo quam consequat turpis.

সিন্ধু অববাহিকার শুরু তিব্বত এবং হিমালয় পর্বতমালায় যা জম্মু-কাশ্মীর এবং হিমাচল প্রদেশে অবস্থিত।এর প্রবাহ পাহাড় থেকে শুরু হয়ে পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীর এবং সিন্ধুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে, পাকিস্তানে একত্রিত হয় ও করাচির দক্ষিণে আরব সাগরে পতিত হয়।

কলকাতা থেকে কাশ্মীর কিভাবে যাবেন:-

কলকাতা থেকে সরাসরি জম্মু যাওয়ার দুটি ট্রেন আছে। হিমগিরি ও জম্মু তাওয়াই। হিমগিরি সপ্তাহে ৩ দিন (মঙ্গল, শুক্র ও শনিবার) রাত ১১:৫০ টায় হাওড়া থেকে জম্মুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সময় লাগে ৩৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। আর জম্মু তাওয়াই প্রতিদিন চললেও সময় একটু বেশি লাগে।ভাড়া পড়বে ১২০০ থেকে ৫০০০ পর্যন্ত স্লিপার,এসি থ্রি/টু টায়ার আর বাথ।জম্মু নেমে শ্রীনগর যেতে হবে বাস বা রিজার্ভ কারে করে। বাসের ভাড়া পড়বে ‪৮০০-১৫০০‬ রুপি।আর গাড়ি ভাড়া পড়বে ৫০০০-৮০০০‬ রুপি পর্যন্ত। গ্রুপের সদস্য সংখ্যার ওপরে নির্ভর করে গাড়ি নেবেন। জম্মু থেকে শ্রীনগর যেতে সময় লাগবে ৮-১০ ঘণ্টা।চাইলে ৫২ কিমি এগিয়ে উদামপুর নাগাদ যাওয়া যায়, তারপর সেখান থেকে ১৫২ কিমি ট্যাক্সিতে প্রায় ৫/৬ ঘন্টায় বানিহিল নাগাদ যেয়ে বাকি অংশ মানে বানিহিল থেকে শ্রীনগর নাগাদ রেলে যাওয়া যায়। এতে সময় ও খরচ দুটোইই বাঁচে। এই পথে পাহাড়ের নীচ দিয়ে প্রায় ১১২৫০ মিটার লম্বা টানেল পার হয়ে যেতে হয়, তাছাড়া উদামপুর ও জম্মুর মধ্যেও অনেকগুলো টানেল রয়েছে।

এছাড়াও আপনি জম্মু নেমে শ্রীনগর না গিয়ে সরাসরি পেহেলগাম যেতে পারেন।সরাসরি পেহেলগাম যেতে হলে আপনাকে জম্মু থেকে গাড়ী ভাড়া করতে হবে।রিজার্ভ করলে ভাড়া পড়বে ৭০০০-৮০০০ রুপি।পেহেলগাম খুবই সুন্দর।মানুষগুলো তারচেয়ে বেশী ভালো।অদ্ভুত ভাল ব্যবহার।পেহেলগাম থেকে চান্দেনওয়ারী যেতে সময় লাগে ৩০ মিনিট।চান্দেনওয়ারী,আরু ভ্যালী আর বেতাব ভ্যালী এই ৩ জায়গা দেখতে গাড়ী ভাড়া ১৬০০ রুপি।

যদি আপনি জম্মু থেকে সরাসরি শ্রীনগর যান তাহলে শ্রীনগর শহর থেকে ৫২ কিমি গুলমার্গ।গাড়ী ভাড়া পড়বে ২০০০ রুপি।

এছাড়াও কলকাতা থেকে দিল্লি যেতে পারেন বেশ আয়েশ করে রাজধানী এক্সপ্রেসে।ভাড়া পড়বে ‪৩০০০-৪০০০‬ টাকা শ্রেণিভেদে। তবে সব খাবার এই টিকেট ভাড়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে। দিল্লিতে সারা দিন ঘুরে রাতের রাজধানী এক্সপ্রেসে যেতে পারেন দিল্লি থেকে জম্মু পর্যন্ত। রাতে ছেড়ে সকালে পৌঁছায়। জম্মু থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত আগের মতো বাস বা গাড়ি রিজার্ভ করে।

এয়ারে কাশ্মীর যেতে হলে ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক বিমানে প্রথম যেতে হবে দিল্লি ইন্ধিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, সেখান থেকে শ্রীনগর। অথবা ঢাকা থেকে কলকাতা যাবেন ট্রেনে বা বাসে পরে সেখান থেকে ডোমেস্টিক বিমানে জম্মু অথবা শ্রীনগর বিমানবন্দরে যাওয়া যাবে। কলকাতা থেকে সরাসরি শ্রীনগরে কোনো ফ্লাইট নেই তাই দিল্লি হয়ে যেতে হয়।

কাশ্মীর এর ইতিহাস:-

কাশ্মীরের ইতিহাস বৃহত্তর ভারতীয় উপমহাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলসমূহের (মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া) ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ঐতিহাসিকভাবে কাশ্মীরকে ‘কাশ্মীর উপত্যকা’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। বর্তমানে কাশ্মীর বলতে একটি তুলনামূলক বৃহৎ অঞ্চলকে বোঝায়। বর্তমান ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য (যেটি জম্মু, কাশ্মীর উপত্যকা ও লাদাখের সমন্বয়ে গঠিত), পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলদ্বয় এবং চীন-নিয়ন্ত্রিত আকসাই চিন ও ট্রান্স-কারাকোরাম ট্র্যাক্ট অঞ্চলদ্বয় বৃহত্তর কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্ত।

পঞ্চম শতাব্দীর পূর্ববর্তী সময়ে কাশ্মীর প্রথমে হিন্দুধর্ম এবং পরে বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়। পরবর্তীতে নবম শতাব্দীতে কাশ্মীরে শৈব মতবাদের উত্থান ঘটে। ত্রয়োদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীতে কাশ্মীরে ইসলাম ধর্মের বিস্তার ঘটে এবং শৈব মতবাদের প্রভাব হ্রাস পায়। কিন্তু তাতে পূর্ববর্তী সভ্যতাগুলোর অর্জনসমূহ হারিয়ে যায় নি, বরং নবাগত ইসলামি রাজনীতি ও সংস্কৃতি এগুলোকে বহুলাংশে অঙ্গীভূত করে নেয়, যার ফলে জন্ম হয় কাশ্মিরি সুফিবাদের।

১৩৩৯ সালে শাহ মীর কাশ্মীরের প্রথম মুসলিম শাসক হিসেবে অধিষ্ঠিত হন এবং শাহ মীর রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন। পরবর্তী পাঁচ শতাব্দীব্যাপী কাশ্মীরে মুসলিম শাসন বজায় ছিল। এর মধ্যে মুঘল সম্রাটরা ১৫৮৬ সাল থেকে ১৭৫১ সাল পর্যন্ত এবং আফগান দুররানী সম্রাটরা ১৭৪৭ সাল থেকে ১৮১৯ সাল পর্যন্ত কাশ্মীর শাসন করেন। ১৮১৯ সালে রঞ্জিত সিংহের নেতৃত্বে শিখরা কাশ্মীর দখল করে। ১৮৪৬ সালে প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট শিখরা পরাজিত হয়। এরপর অমৃতসর চুক্তি অনুসারে জম্মুর রাজা গুলাব সিংহ অঞ্চলটি ব্রিটিশদের কাছে থেকে ক্রয় করেন এবং কাশ্মীরের নতুন শাসক হন। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তাঁর বংশধরগণ ব্রিটিশ রাজমুকুটের অনুগত শাসক হিসেবে কাশ্মীর শাসন করেন। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের সময় অঞ্চলটি একটি বিবদমান অঞ্চলে পরিণত হয়। বর্তমানে অঞ্চলটি ভারত, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে বিভক্ত।

কখন যাবেন কাশ্মীর:-

কাশ্মীর মূলত অল ওয়েদার ট্যুরিস্ট এরিয়া। আবহাওয়া ও ভৌগোলিক দিক থেকে কাশ্মীরের মৌসুম চারটি। গ্রীষ্ম (জুন, জুলাই, আগস্ট), শরৎ (সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর), শীত (ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি) ও বসন্ত (মার্চ, এপ্রিল, মে)। পর্যটনের ভাষায় মৌসুমগুলোকে বলা হয়, গ্রিনভ্যালি, ফ্রুট ভ্যালি, আর ফ্লাওয়ার ভ্যালি। চার মৌসুমে কাশ্মীরের চার রূপ। তবে শীতে কাশ্মীর ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে রাখতে হবে বাড়তি প্রস্তুতি। গরম কাপড়, গ্লাভস, বুট সেখানে আবশ্যক।

কোই যান একটি ব্লগ, বাংলাদেশের সকল ভ্রমণ তথ্য এবং পরামর্শ একজায়গায় করার লক্ষে কোই যান এর যাত্রা শুরু হয় ২০১৭ সালে। কই যান.কম বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় পর্যটন ও ভ্রমণ সম্পর্কিত ওয়েব সাইট। ভ্রমণের ক থেকে ‍ঁ জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। লিখা সম্পর্কে যেকোনো পরামর্শ অথবা কপি রাইট এর বেপারে লিখুন : [email protected]

সর্বাধিক জনপ্রিয় বিষয়গুলি

আমাদের পছন্দের লিখা গুলি